এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০০০ সালে। মানসম্পর্ণ শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করে মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরীতে এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই গ্রামের কৃতি সন্তান অর্থ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুসলিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম ওয়াসার উপ-সচিব জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ এলাকার জ্ঞানীজনেরা। এই স্কুলের পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি ও সম্পাদক হিসাবে আছেন অর্থ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুসলিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম ওয়াসার উপ-সচিব জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। শনিবার ভোরে এলাকার অনেকেই ফোন করে স্কুলটি পুড়ে যাওয়ার সংবাদ পোঁছায় প্রতিষ্ঠাগণ ও অভিভাকদের কাছে। এই সংবাদ পেয়ে অনেকেই সাথে সাথে ছুঁটে আসেন স্কুলটি দেখতে। সংবাদ পেয়ে সকালেই শহর থেকে ছুটে এসেছিলেন প্রতিষ্ঠাতাদের একজন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি এসে স্কুলের পোড়া ভষ্মের সামনে দাড়িঁয়ে এই প্রতিবেদককে বলেছেন, এলাকার সমাজ সচেতন ব্যক্তিবর্গ তিলে তিলে শ্রম আর মেধা দিয়ে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলেন। যারা সমাজ ও দেশের ভাল চায় না তারাই স্কুলের মত একটি প্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছে। কয়েক’শ শিক্ষার্থীর জীবন নিয়ে তারা চিনিমিনি খেলার চেষ্টা করছে। আরেক প্রতিষ্ঠাতা মোবারক শাহ চৌধুরী বলেছেন আগুনে তাদের দশ লাখ টাকার সম্পদহানী হয়েছে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহনে দুর্বৃত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সকালে মানব বন্ধন করেছে। এ ব্যপারে থানায় সাধারণ ডাইরী করা হয়েছে। খবর নিয়ে জানা যায়, কদলপুরের এই স্কুলের জায়গা নিয়ে বেশ কিছু ধরে স্থানীয় এক ব্যক্তির সাথে বিরোধ চলে আসছে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও বলেছেন তদন্তের পর কারা এই ঘটনায় জড়িত বের হয়ে আসবে। কদলপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তছলিম উদ্দিন চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের শান্তনা দিয়ে বলেছেন আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে তার পরিষদ কাজ শুরু করেছেন। দায়িদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দানে আইনের আওতায় আনা হবে। এখানে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মফিজুর রহমান চৌধুরী, মোবারক শাহ চৌধুরী, খালেদ আনচারী, শিক্ষক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সরোয়ার আলম, শাহজাদা মাকসুদুল আলম, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য, ফরহাদুল রহমান চৌধুরী,মেম্বার মরাদুল হক চৌধুরী মেম্বার মোহাম্মদ হাসেম, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাসেম প্রমূখ।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস